Shopping cart

Subtotal $0.00

View cartCheckout

TnewsTnews
  • Home
  • শিক্ষা
  • সংবাদ প্রকাশের পর কৈবর্তখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ

সংবাদ প্রকাশের পর কৈবর্তখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

সংবাদ প্রকাশের পর ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ৯৯ নং উত্তর পূর্ব ছোট কৈবর্তখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহিদা খানমকে শোকজ নোটিশ দিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। সোমবার (৭ জুলাই) তাকে এই নোটিশ প্রদান করা হয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘তিন ক্লাসে পাঁচ শিক্ষক, ছয় শিক্ষার্থী দিয়ে চলছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ এবং ‘ল্যাপটপ প্রধান শিক্ষকের বাসায়, ব্যবহার ব্যক্তিগত কাজে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়টির তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী আছে মাত্র ছয়জন। অথচ প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত রয়েছেন পাঁচজন শিক্ষক। এছাড়া, বিদ্যালয়ের ল্যাপটপ প্রধান শিক্ষক বাসায় নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন। শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ব্যবহার না করা, এবং দাপ্তরিক নিয়ম ভঙ্গসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে ওই প্রতিবেদনে।

শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ৩ জুলাই দুপুর ২টার দিকে স্থানীয় সাংবাদিক বিদ্যালয়ে গেলে দেখা যায়, ৫ জন শিক্ষকের মধ্যে ৪ জন উপস্থিত ছিলেন। তবে দুপুর ২:১৫ মিনিটের সময়ও প্রাক-প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির হাজিরা খাতায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি লেখা হয়নি। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে মাত্র ৬ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। বিদ্যালয়ের ল্যাপটপ প্রধান শিক্ষকের বাসায় রাখা এবং ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের বিষয়টিও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, সরকারি দায়িত্ব পালনে এ ধরনের গাফিলতির কারণে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না, তা তিন (৩) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে।

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়টিতে কাগজে-কলমে ৫১ জন শিক্ষার্থী দেখানো হলেও বাস্তবে প্রতিদিন গড়ে ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকে। এছাড়া প্রধান শিক্ষক সাহিদা খানম মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করেননি। শিক্ষকদেরও যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় না। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে আগে চলে যান শিক্ষকরা।

এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আকতার হোসেন বলেন, “বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি জানতে পেরে প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে তার লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts