বিনোদন ডেক্স
ব্যক্তিগত জীবনে বারবার আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। তবে, সম্প্রতি এক পডকাস্টে নিজের জীবন, কৈশোরের বিবাহ ও মাতৃত্ব নিয়ে অকপটে কথা বললেন এই অভিনেত্রী। শ্রাবন্তী জানান, অত ছোট বয়সে বিয়ে করাটা বাড়াবাড়ি হলেও, সেই বিয়ে না হলে তিনি হয়তো তাঁর পুত্রসন্তান অভিমন্যু চ্যাটার্জিকে (ঝিনুক) পেতেন না।
👶 কৈশোরের মাতৃত্ব ও আত্মপ্রকাশ
২০০৩ সালে টলিউডে নায়িকা হিসেবে শ্রাবন্তীর আত্মপ্রকাশ হয় জিৎ-এর বিপরীতে ‘চ্যাম্পিয়ন’ ছবির মাধ্যমে, যা বক্স অফিসে দারুণ সফল হয়েছিল। তখন তিনি দশম শ্রেণির ছাত্রী। জানা যায়, ভালোবাসার টানে পরিবারের অমতে মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিচালক রাজীব কুমার বিশ্বাসকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। ১৭ বছর বয়সে স্কুলের গণ্ডি পেরোনোর আগেই মা হন তিনি।
অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি বলেন, “হয়তো অত ছোট বয়সে বিয়ে করাটা ভীষণ বাড়াবাড়ি, কিন্তু কপালে ছিল। বিয়েটা না করলে হয়তো আমি নিজের ছেলেকে পেতাম না। ঝিনুককে আমি খুব ছোটবেলায় পেয়েছি। আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি। আমি নিজেও খুব ছোট ছিলাম। তখন আমার মনে হয়েছিল ছেলেকে সময় দিই। ওর জন্ম, বড় হওয়া—ছেলের সঙ্গে সময়টা আমি খুব এনজয় করেছি।”
ছেলে ঝিনুকের জন্ম ও শৈশবে সময় দেওয়ার জন্য শ্রাবন্তী একসময় নিজের কেরিয়ার থেকে দীর্ঘ ৫ বছরের বিরতিও নিয়েছিলেন। পরে ২০০৮ সালে ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’ ছবির মাধ্যমে তিনি আবার পর্দায় ফিরে আসেন।
💔 ভাঙা-গড়ার পথে ব্যক্তিগত জীবন
রাজীব কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে দীর্ঘ বৈবাহিক জীবনে ইতি টানার পর মডেল কৃষণ ব্রজকে এবং পরে রোশন সিংকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। তবে, কোনও সম্পর্কই বেশিদিন টেকেনি। ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক চড়াই-উতরাই এলেও শ্রাবন্তী তাঁর ছেলেকে নিয়ে একাই এগিয়ে চলেছেন।
শ্রাবন্তীর কথায়, “আমার কাছে প্রায়োরিটি খুব জরুরি। সেই সময় আমি ভেবেছিলাম নিজেকে সময় দেব।”
বর্তমানে ছেলে ঝিনুকও সোশ্যাল মিডিয়ায় যথেষ্ট চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। ছেলের সঙ্গে শ্রাবন্তীর সম্পর্ক বন্ধুর মতোই। কাজের পাশাপাশি ছেলেকে মানুষ করা নিয়ে অভিনেত্রী যে অকপট মন্তব্য করলেন, তা তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের আরও একটি দিক সামনে আনল।
আরো পড়ুন: https://banglaralo24tv.com/










