নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকায় আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সরকারের এই অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম বলেন, “আওয়ামী লীগের বিষয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। দলটির সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ। যেহেতু নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে বাদ দিয়েছে, সেহেতু তারা আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দলটির বিরুদ্ধে চলা বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের মে মাসে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে দলটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সহিংসতা ও অপরাধের অভিযোগ বিচারধীন থাকায় এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ফলে ব্যালট পেপারে বা নির্বাচনী ময়দানে দলটির প্রতীক বা পরিচয় ব্যবহারের কোনো আইনি বৈধতা থাকছে না।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং তারা জানান, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতেই আইনের শাসন সমুন্নত রাখা হচ্ছে।
আরো পড়ুন: https://banglaralo24tv.com/
















