Shopping cart

Subtotal $0.00

View cartCheckout

TnewsTnews
  • Home
  • জাতীয়
  • জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: সিপাহি-জনতার বিপ্লবের নজির

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: সিপাহি-জনতার বিপ্লবের নজির

ডেক্স রিপোর্ট:

৭ নভেম্বর সালের উল্লেখ নেই, তবে ১৯৭৫ পরবর্তী প্রেক্ষাপট – আজ শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাত্ করে দেয় এবং দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। এই বিপ্লবের মাধ্যমে তত্কালীন বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করা হয়।

জাতীয় জীবনের এই অনন্য ঐতিহাসিক তাত্পর্যমণ্ডিত দিনটি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

জাতীয় ইতিহাসের এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিএনপি ১০ দিনের কর্মসূচি শুরু করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকাল ৬টায় নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

বেলা ১০টায় দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করেন।

দিবসটি উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে আজ শুক্রবার বেলা ৩টায় নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিশাল শোভাযাত্রা বের করা হবে। একই দিনে সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ উপলক্ষ্যে বাণী প্রদান করেছেন। এছাড়া শ্রমিক দল, ছাত্রদল, ওলামা দল, তাঁতী দল, কৃষক দল এবং জাসাসসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও আলোচনা সভা, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মতো বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মূল আলোচনাসভাটি আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

জামায়াতের দিবসটি পালনের আহ্বান

এদিকে, আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে অপরিসীম গুরুত্ব ও তাত্পর্য বহন করে।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের পালটা সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে খালেদ মোশাররফের ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত প্রতিহত করে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে হেফাজত করেছিলেন।

তিনি বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতিকে রক্ষার জন্য দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সকল দল-মত-নির্বিশেষে মানুষ, বর্তমান সরকার ও সামরিক বাহিনীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

আরো পড়ুন: https://banglaralo24tv.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts