Shopping cart

Subtotal $0.00

View cartCheckout

TnewsTnews
  • Home
  • সর্বশেষ
  • চাঁদপুরে মাদকের টাকা না পেয়ে মাকে পিটিয়ে হত্যা করলো ছেলে

চাঁদপুরে মাদকের টাকা না পেয়ে মাকে পিটিয়ে হত্যা করলো ছেলে

চাঁদপুরে মাদকের টাকা না পেয়ে মাকে পিটিয়ে হত্যা করলো ছেলে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নে মাদকের টাকা না পেয়ে জান্নাত বেগম (৪৮) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার নিজের ছেলের বিরুদ্ধে। গতকাল রোববার (১৭ মে) গভীর রাতে বালিয়া গ্রামের সাদেক খানের বাড়িতে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটে। আজ সোমবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ অভিযুক্ত ছেলে মো. রাকিব (২৪) ও তার ছোট ভাই রিফাতকে (১১) আটক করে।

নিহত জান্নাত বেগম ওই গ্রামের আব্বাস খানের স্ত্রী। স্বজনরা জানান, আব্বাস খান দ্বিতীয় বিয়ে করে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বসবাস করছেন। প্রায় দেড় বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। জান্নাত বেগম তার সন্তানদের নিয়ে গ্রামেই থাকতেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত রাকিব দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকের টাকার জন্য তিনি প্রায়ই তার মায়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। ঘটনার রাতেও রাকিব তার মায়ের কাছে মাদকের টাকা দাবি করেন। জান্নাত বেগম টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে রাকিব ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে ঘরে থাকা একটি কাঠের টুকরো দিয়ে মায়ের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। এতে জান্নাত বেগম গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান। ঘটনার পরপরই রাকিব বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

স্বজন ও প্রতিবেশীদের অভিযোগ, ঘটনার পর পালিয়ে গেলেও আজ সোমবার সকালে রাকিব আবার বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর মা স্বাভাবিক অসুস্থতায় মারা গেছেন দাবি করে নিজেই চিৎকার ও কান্নাকাটি শুরু করেন। তবে বাড়ির লোকজন জান্নাত বেগমের মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ রাকিব ও তার ছোট ভাই রিফাতকে আটক করে।

নিহত জান্নাত বেগমের ভাই মিলন বলেন, আমার বোনকে নির্মমভাবে বাঁচতে দেওয়া হলো না। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত চাই এবং দোষী রাকিবের দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসি দাবি করছি।”

খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ জানায়, নিহতের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts