Shopping cart

Subtotal $0.00

View cartCheckout

TnewsTnews
  • Home
  • রাজনীতি
  • গণভোটের রায় বাস্তবায়নে রাজপথ ও সংসদে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে রাজপথ ও সংসদে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে রাজপথ ও সংসদে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গণভোটের রায়কে ‘জনগণের আকাঙ্ক্ষা’ উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, “আমরা গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করতে দেব না। জনগণের এই রায় বৃথা যাবে না। সংসদে সবাই মিলে চিৎকার দেব, রাজপথের আন্দোলনও আরও বেগবান হবে।”

বুধবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মাল্টিপারপাস হলে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং সব গণহত্যার বিচারের দাবিতে’ এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

দলীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, “নির্বাচনের নামে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে এবং দল-নিরপেক্ষ পরিচয়ের অন্তর্বর্তী সরকারও সেই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। তারা নিজেরাই স্বীকার করেছে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে। আমরা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে সেই ফলাফল মেনে নিয়েছি, কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে আমরা গণভোটের রায়কে অসম্মানিত হতে দেব।”

তিনি বলেন, “সংসদে দাঁড়িয়ে সরকারি দলের কেউ কেউ বলেছেন, জুলাই সনদ অন্তহীন প্রতারণার দলিল। তাদের এই বক্তব্য এক্সপাঞ্জ না হওয়ায় তা ইতিহাসের অংশ হয়ে রেকর্ড হয়ে থাকল। তারা প্রমাণ করলেন, জাতি ও জনগণের সঙ্গে তারাই অন্তহীন প্রতারণা করেছেন।”

জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের নিয়ে কোনো ধরনের ‘বাড়াবাড়ি’ বরদাশত করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন ডা. শফিক। তিনি বলেন, “আপনারা সংযত হোন, নইলে জনগণের উত্তাল ঢেউ আর জোয়ারে সব খড়কুটা ভেসে যাবে। কেউ শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করে জুলাইকে অপমান করার দু:সাহস আর দেখাবেন না। যারা সশস্ত্র বাহিনীর সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পারে, সেই যুব সমাজ এখনো ঘুমিয়ে যায়নি।”

বিএনপির নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, “আমরা জাতিকে কথা দিয়েছিলাম, সেই জায়গায় আমরা আছি এবং আত্মবিশ্বাসী। গণভোট হয়েছে দেশের পচা রাজনীতির আমূল পরিবর্তন এবং ফ্যাসিবাদের শেকড় কেটে ফেলার জন্য। সংস্কারের জন্য কমিশনের চেয়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও জনগণের রায়ের প্রতিফলন বেশি জরুরি।”

আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “লোহা গরম হয়ে লাল হতে সময় লাগে। কিন্তু লাল যখন হবে, তখন জনগণ মুগুর নিয়ে ঠিকমতোই পিটাবে। জেল-জুলুমের ভয় আমাদের দেখিয়ে লাভ নেই। সর্বোচ্চ পরিণতি হিসেবে ফাঁসির তক্তা বা একটি গুলি—সবকিছুর জন্যই আমরা প্রস্তুত আছি।”

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইজহার প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts