নিজস্ব প্রতিবেদক
গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের বর্তমান কার্যক্রম নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন, দলটির ভাগ্য নির্ধারিত হবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের মাধ্যমে।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদুর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরাসরি নিষিদ্ধ হয়নি, তবে তাদের বর্তমান কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ রয়েছে। গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ট্রাইব্যুনালে দলটির বিচার প্রক্রিয়া চলছে। বিচার শেষ হওয়ার পরই আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন এই দলটির রাজনৈতিক অস্তিত্ব থাকবে কি না।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের অপেক্ষা করার আহ্বান জানাচ্ছি। এটি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার। আদালত সব পক্ষের বক্তব্য শুনেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন। যদি বিচারে তারা দোষী সাব্যস্ত না হয় এবং আদালত যদি তাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন, তবেই তারা পুনরায় রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাবে।’
উল্লেখ্য, সরকার পরিবর্তনের পর সাম্প্রতিক উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণহত্যা ও জুলাই-আগস্টের ঘটনার বিচার দাবি জোরালো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সরকার এই বিচার প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিচ্ছে এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকেই আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের বার্তা দিচ্ছে।










