Shopping cart

Subtotal $0.00

View cartCheckout

TnewsTnews
  • Home
  • জাতীয়
  • ভোলার উন্নয়নে একগুচ্ছ মেগা পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ভোলার উন্নয়নে একগুচ্ছ মেগা পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ভোলার উন্নয়নে একগুচ্ছ মেগা পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

দ্বীপ জেলা ভোলার সার্বিক উন্নয়ন এবং স্থানীয় প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের লক্ষে একটি সুনির্দিষ্ট ও একগুচ্ছ মেগা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়নের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই পরিকল্পনার কথা জানান। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদে ভোলার উন্নয়নে সরকারের নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বীপ জেলা হওয়ায় ভোলার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সেতু নির্মাণের মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগের সাথে এই জেলাকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

ভোলার গ্যাসের সঠিক ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, পাইপলাইনের মাধ্যমে ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে বা মূল ভূখণ্ডে নিতে প্রায় সাত বছর সময় লাগবে। তাই সময়ক্ষেপণ না করে স্থানীয় পর্যায়ে গ্যাসভিত্তিক শিল্পায়ন ও বহুমুখী ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর তুলে ধরা পরিকল্পনাগুলোর মূল দিক:

  • যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন: সেতু নির্মাণের মাধ্যমে দ্বীপ জেলা ভোলাকে সরাসরি মূল ভূখণ্ডের সড়ক যোগাযোগের আওতায় আনা।
  • বিদ্যুৎ ও সার কারখানা স্থাপন: ভোলায় ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং কৃষির চাহিদা মেটাতে একটি ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপন করা।
  • বেসরকারি শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান: স্থানীয় গ্যাসকে কাজে লাগিয়ে ভোলাতেই গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু উদ্যোক্তা উদ্যোগ নিয়েছেন এবং আরও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ভোলার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি অঞ্চলটি অর্থনৈতিকভাবে আরও বেশি স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে।

উল্লেখ্য, এদিন সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নির্ধারিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন ও সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদ অধিবেশনের শুরুতেই প্রথম ৩০ মিনিট এই প্রশ্নোত্তরের জন্য নির্ধারিত ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts