নিজস্ব প্রতিবেদক:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মো. নুরুল আলম (৪০) নামের এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাঁকে চাঁদপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গ্রেফতার নুরুল আলম কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের চক্রা গ্রামের বেনুছো বাড়ির মদিনাতুল উলুম মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও শিক্ষক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনী সমন্বয়কারীর দায়িত্বে ছিলেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই মাদ্রাসার আবাসিক কক্ষে থাকা ছাত্রীকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব ও যৌন হয়রানি করে আসছিলেন নুরুল আলম। গত রোববার সকাল ১১টার দিকে ছাত্রীটি পড়াশোনা করার সময় অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে অন্য একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি করেন। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রী বিষয়টি তার মাকে অবহিত করে। খবর পেয়ে তার মা মাদ্রাসায় গিয়ে মেয়ের সহপাঠীদের কাছ থেকেও একই ধরনের ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন। স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও ওই শিক্ষক মাদ্রাসার একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মো. নুরুল আলমকে একমাত্র আসামি করে কচুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সোমবার দুপুরে তাঁকে চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।














