নিজস্ব প্রতিবেদক:
জামায়াতের কাছ থেকে অনুদান নিয়ে জাতীয় নির্বাচন করা এবং দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করার অভিযোগ উঠেছে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপির বিরুদ্ধে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, জামায়াতের কাছ থেকে একশ কোটি টাকা সহায়তা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করেছিল এনসিপি। সেই দাতার ঋণ পরিশোধের জন্যই দলটিকে পুনরায় গণভিক্ষা কর্মসূচি চালু করতে হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। পাশাপাশি তিনি ঘোষণা দেন, এনসিপি যদি আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, তবে তাদের গণভিক্ষা তহবিলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ১ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করে দেবেন।
পোস্টে বিগত ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন বলেন, বিএনপির লোকজন বছরের পর বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করেও ত্যাগ স্বীকার করেছে। অন্যদিকে, সে সময় বর্তমান ছাত্রনেতারা কী ভূমিকা পালন করেছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ক্ষমতার সুযোগ নিয়ে গত ১৮ মাসে এনসিপির নেতারা আলিশান কার্যালয় ও ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে জমিদারি স্টাইলে চলাফেরা শুরু করেছেন এবং নজিরবিহীন দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকার আরও কিছুদিন ক্ষমতায় থাকলে এই নেতারা দুর্নীতিতে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, বিএনপি এনসিপিকে জাতীয় পার্টির মতো একটি গৃহপালিত বিরোধী দল বানাতে রাজি না হওয়ার কারণেই দলটি শেষ পর্যন্ত জামায়াত জোটে ভিড়েছে। নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা বলা এই দলটি ক্ষমতার লোভে অল্প বয়সেই একটি সুবিধাবাদী ও ধান্ধাবাজ দলে পরিণত হয়েছে বলে তিনি কঠোর সমালোচনা করেন।














