নিজস্ব প্রতিবেদক:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কবিরাজি চিকিৎসার নামে এক কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন, বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি তাইজুল ইসলাম মুসাকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী সিক্সলেন এলাকা থেকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে কলাপাড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত তাইজুল ইসলাম মুসা উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের মনসাতলী গ্রামের বাসিন্দা। এলাকায় তিনি ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে কবিরাজি চিকিৎসা দিয়ে আসতেন বলে জানা গেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হামিদুল হক আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ ওই কিশোরীকে ঝাড়ফুঁক দিয়ে সুস্থ করার কথা বলে তার পরিবারের সঙ্গে পরিচিত হন কবিরাজ মুসা। একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং গোপনে তার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে কিশোরী ও তার পরিবারকে নানাভাবে ব্ল্যাকমেইল ও হয়রানি করা হয়।
এ ঘটনায় গত ৩১ অক্টোবর ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা মো. মেহেদী হাসান রিয়াজ বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত তাইজুল ইসলাম মুসা ও তার স্ত্রীসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এসআরবি অভিযুক্ত মুসাকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’














