নিজস্ব প্রতিবেদক:
চাঁদপুর জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষা। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) নিয়োগ কার্যক্রমের প্রথম দিনে ‘শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ’ ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক পরিচালিত প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিংয়ে উত্তীর্ণ চাঁদপুর জেলার যোগ্য প্রার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। নিয়োগ প্রক্রিয়ার শুরুতেই প্রার্থীদের উচ্চতা, ওজন ও বুকের মাপ গ্রহণ করা হয় এবং শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়।

নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি এবং চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রবিউল হাসান (আইজি ব্যাজ ও শুদ্ধাচার পুরস্কারপ্রাপ্ত)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের লক্ষ্যে শুরু থেকেই জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে জেলা পুলিশ।

পুলিশ সুপার জানান “সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সুশৃঙ্খলভাবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। কোনো ধরনের দালাল চক্র বা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে পুলিশে নিয়োগ পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। শুধুমাত্র যোগ্য প্রার্থীরাই বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য হওয়ার সুযোগ পাবেন।”
নিয়োগ কার্যক্রম তদারকির জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধি দলের পাশাপাশি চাঁদপুর জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ফোর্স নিয়োজিত ছিলেন। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মাঠজুড়ে নেওয়া হয়েছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

প্রথম দিনের বাছাই প্রক্রিয়া শেষে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপের শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষায় (Physical Endurance Test) অংশগ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে ধাপে ধাপে দৌড়, লং জাম্প, হাই জাম্পসহ অন্যান্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর এই কার্যক্রমটি চাঁদপুর জেলাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বচ্ছতার সাথে ডাটা এন্ট্রি ও যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ প্রার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।














