Shopping cart

Subtotal $0.00

View cartCheckout

TnewsTnews
  • Home
  • আইন ও আদালত
  • দেশে বর্তমানে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে বর্তমানে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশে বর্তমানে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ‘জঙ্গিবাদ’ শব্দটিকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করত।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওস্থ কোস্টগার্ড সদরদপ্তরে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের উপকূলীয় ও নদীমাতৃক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জনবল বর্তমানের ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজারে উন্নীত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বাহিনীকে অত্যাধুনিক লজিস্টিক সরঞ্জাম, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের বিশাল জলসীমা ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় কোস্টগার্ডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন সরকার প্রধান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে ‘কোস্টগার্ড আইন’ প্রণীত হয়েছিল, যার মাধ্যমে এই বাহিনীর যাত্রা শুরু। বর্তমানে দেশের দুর্গম হাওর অঞ্চল এবং সুন্দরবনসহ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলেও কোস্টগার্ডের কার্যক্রম বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্তমান যুগের অপরাধীদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “দুর্বৃত্তরা এখন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। তাদের মোকাবিলায় কোস্টগার্ডকেও সমভাবে প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ ও আধুনিক সম্পদে সজ্জিত হতে হবে।” এ লক্ষ্যে বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বাহিনীর কাঠামোগত সংস্কারের কাজ হাতে নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের পর্যায়ক্রমে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা গ্র্যাজুয়াল উইথড্রয়ালের (ধাপে ধাপে প্রত্যাহার) মধ্যে আছি। হঠাৎ করে পুরো ফোর্স প্রত্যাহার করা যায় না। তবে খুব শিগগিরই মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যের সংখ্যা একটি সীমিত পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে।”

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কেপিআই-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসওপি (SOP) অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা সবসময় বহাল থাকবে।

প্রেস ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মন্ত্রী কোস্টগার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং বাহিনীর শৃঙ্খলা ও সেবামূলক কাজের প্রশংসা করেন।

আরো পড়ুন: https://banglaralo24tv.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts