নিজস্ব প্রতিবেদক
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। সাক্ষাতে তারা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি, কারিগরি সহযোগিতা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা খাতে দুই দেশের ভবিষ্যৎ অংশীদারিত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধানত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হয়:
- রূপপুর প্রকল্পের অগ্রগতি: রোসাটম মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চলমান কাজের হালনাগাদ তথ্য প্রদান করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের পরবর্তী ধাপগুলো শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
- জ্বালানি নিরাপত্তা: দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে পারমাণবিক শক্তির দীর্ঘমেয়াদী অবদান এবং ক্লিন এনার্জি বা স্বচ্ছ জ্বালানি উৎপাদনে রাশিয়ার কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়।
- প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন: বাংলাদেশের প্রকৌশলী ও বিজ্ঞানীদের রাশিয়ার উন্নত পরমাণু প্রযুক্তি কেন্দ্রে উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদানের বিষয়ে রোসাটম তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়নে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের আধুনিক ও সমৃদ্ধ অবকাঠামোর প্রতীক। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি রোসাটমকে কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার তাগিদ দেন।

অ্যালেক্সি লিখাচেভ বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ রাশিয়ার অন্যতম বিশ্বস্ত অংশীদার এবং পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে বাংলাদেশ একটি আদর্শ উদাহরণ হতে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম (Rosatom)-এর মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে রোসাটমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।













