Shopping cart

Subtotal $0.00

View cartCheckout

TnewsTnews
  • Home
  • সর্বশেষ
  • কার সঙ্গে কক্সবাজার গিয়েছিলেন স্কুল শিক্ষার্থী তাজমিন?

কার সঙ্গে কক্সবাজার গিয়েছিলেন স্কুল শিক্ষার্থী তাজমিন?

কার সঙ্গে কক্সবাজার গিয়েছিলেন স্কুল শিক্ষার্থী তাজমিন

স্টাফ রিপোর্টার:

বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে সোজা কক্সবাজার। সেখানে কেটে গেল চার দিন। অথচ অভিভাবকরা জানতেনই না তাদের মেয়ে কোথায় আছে। শেষ পর্যন্ত ফেরার পথে কুমিল্লার লালমাইয়ে এক নির্জন ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হলো সেই সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের (১৪) লাশ।

বান্ধবীর বাসায় বেড়ানোর কথা বলে ঘর ছাড়ার পর কার হাত ধরে কক্সবাজার পাড়ি জমিয়েছিল তাজমিন এবং কার সঙ্গেই বা সে কুমিল্লায় ফিরেছিল—এই রহস্যের জট এখন পর্যন্ত খুলতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। 

খুন হওয়া কিশোরীর রোমহর্ষক ও রহস্যঘেরা এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এসব অজানা প্রশ্ন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের আব্দুল আলিমের মেয়ে। তার বাবা রেনেটা ওষুধ কোম্পানিতে চাকরির সুবাদে পরিবারসহ কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তাজমিন কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

ঘটনার সূত্রপাত চার দিন আগে। বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় তাজমিন। কিন্তু এরপর সে আর ফেরেনি। 

জানা যায়, বান্ধবীর বাড়ি নয়, সে সোজা চলে যায় পর্যটন নগরী কক্সবাজারে। সেখানে চার দিন কার সঙ্গে কাটিয়েছিল, কোথায় অবস্থান করেছিল কিংবা কোনো প্রলোভন বা ফাঁদে পা দিয়ে সে সেখানে গিয়েছিল কি না—তার কোনো সদুত্তর নেই পরিবারের কাছেও।

মর্মান্তিক এই ঘটনার জট খুলতে শুরু হয় তার শেষ মুহূর্তের গতিবিধি। ঘটনার আগের রাতে তাজমিন তার বাবাকে নিজের বর্তমান অবস্থানের ‘লাইভ লোকেশন’ পাঠিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল। 

এরপর ঠিক কী ঘটেছিল? কক্সবাজার থেকে ফিরে সে কীভাবে কুমিল্লার পদুয়াবাজার হয়ে লালমাই উপজেলার জগতপুর এলাকার মতো নির্জন স্থানে পৌঁছাল? কার সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল বা কারা তাকে জোরপূর্বক ওই এলাকায় নিয়ে গিয়েছিল—তা নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর ধোঁয়াশা।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাজমিনের গলায় গামছা প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলের চারপাশের ধানক্ষেতজুড়ে ছিল তীব্র ধস্তাধস্তি ও দৌড়াদৌড়ির চিহ্ন। 

এলোমেলো হয়ে পড়ে থাকা ধানগাছগুলো সাক্ষ্য দিচ্ছে, জীবন বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত প্রাণপণ লড়াই করেছিল ওই কিশোরী। ঘটনাস্থলের পাশ থেকেই একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি ভ্যানিটি ব্যাগ জব্দ করা হয়েছে, যা মামলার তদন্তে সবচেয়ে বড় সূত্র হিসেবে কাজ করছে।

কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ জানান, জব্দকৃত অটোরিকশার সূত্র ধরে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নিহতের বাবা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে লালমাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে এঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের ২ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Share this news as a Photo Card

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts

09 October 2026

কার সঙ্গে কক্সবাজার গিয়েছিলেন স্কুল শিক্ষার্থী তাজমিন?

www.hostbuybd.com