Shopping cart

Subtotal $0.00

View cartCheckout

TnewsTnews
  • Home
  • সর্বশেষ
  • ফরিদগঞ্জে বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে সাধারন মানুষ

ফরিদগঞ্জে বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে সাধারন মানুষ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

একদিকে বৈশাখের প্রচণ্ড গরম, অন্যদিকে তীব্র লোডশেডিং এমন পরিস্থিতি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছে। দিনে ও রাতে সমানতালে বিদ্যুৎ –বিভ্রাটের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। প্রতিদিনের লোডশেডিং জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে এবং কৃষি খাতে সেচ ব্যবস্থায় বড় ধরণের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে দিনে-রাতে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না, ফলে বোরো আবাদসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেতে পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সরকারি হাসপাতালসহ প্রাইভেট চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র গুলোতে চিকিৎসা সেবা এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মারাত্মকভাবে ক্ষতি হচ্ছে।


এদিকে উপজেলা সদরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে বর্তমানে ভয়াবহ লোডশেডিং হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গ্রাহকেরা। কয়েকটি এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোথাও কোথাও দিনে-রাতে অন্তত ১২ থেকে ১৪ বার বিদ্যুৎ চলে যায়। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দেখা দিচ্ছে স্থবিরতা। বাসাবাড়িতে পানির সংকট দেখা দিচ্ছে। গৃহস্থলি কাজে সমস্যা, দিনমজুর, রিকশাচালক, খেটে খাওয়া নানা পেশার মানুষ হাপিয়ে উঠছেন। একই সাথে ছাপাখানা, ডিজিটাল সাইনের ব্যবসা, কম্পিউটার কম্পোজ, ফটোকপির দোকান ও এটিএম বুথের গ্রাহকরা হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় বিপাকে পড়ছেন। গবাদি পশু ও পোলট্রি খামারের মালিকরাও আছে বিপাকে। শুরু হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা। বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। এমন অবস্থায় অভিভাবকদের শঙ্কা, বিদ্যুতের লোডশেডিং এভাবে চললে পরীক্ষার হলেও স্বস্তি পাবে না পরীক্ষার্থীরা।

পৌর এলাকার বাবুল গাজী, জাহাঙ্গীর হাজী,মনির হোসেনসহ আরো কয়েকজন গ্রাহক বলেন, আমরা পৌর সদর এলাকার বাসিন্দা হলেও আমরা গড়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পেয়ে থাকি। বার বার লোডশের্ডি হচ্ছে। বিদ্যুৎ নিয়ে আমাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। অনেক কষ্টে আছি।

রূপসা এলাকার কাউসার আহমেদ বলেন, বিদ্যুতের লোডশেডিং এর কারনে আমরা অনেক ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে জানালেও তারা তোয়াক্কা করছেনা। কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ধানের শিষ বের হয়েছে কয়েক দিন আগে। এই সময়ে জমিতে নিয়মিত পানি প্রয়োজন, কিন্তু বিদ্যুৎ যায় তো আর আসে না। জমিতে নিয়মিত পানি না দিলে ফলন অনেক কমে যেতে পারে। এ ছাড়া জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে ডিজেলচালিত পাম্প দিয়ে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।


আরিফুর রহমান নামে এসএসসি পরীক্ষার্থীর অভিভাবকসহ বেশ কয়েকজন জানান, গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত লোডশেডিং এর কারনে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে।
হাসিবুল ইসলাম, আব্দুল কাদির ও সাবিনা আক্তারসহ বেশ কয়েকজন এসএসসি পরীক্ষার্থী বলেন, বিদ্যুতের লোডশেডিং এর কারনে তারা ঠিকমতো পড়তে পারেনা এবং ঘুমাতেও পারেনা।


মাসুদ আলম নামে এক পোল্ট্রি খামারি বলেন, একদিকে বৈশাখের তীব্র গরম, অন্যদিকে বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিং। এমন চলতে থাকলে পোলট্রি খামারেও উৎপাদন হ্রাস পাবে। একই কথা জানিয়েছেন গবাদি পশুর খামারি ফারুক আহমেদ।

লোডশেডিং এর কারন, ফরিদগঞ্জ উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের কতজন গ্রাহক, গ্রাহকের চাহিদার প্রেক্ষিতে কত মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন এমন প্রশ্নের জবাবে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. সাইফুল আলমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি নই।

আরো পড়ুন: https://banglaralo24tv.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts